Home Page

স্নেহের চাওয়া
সালেহা খাতুন

তোর চোখেতে আমার ছবি দেখি, হাত বাড়িয়ে তোকেই ছুঁয়ে থাকি । ভোরের স্বপ্নে তোকে দেখে থাকি, তোর গায়ের গন্ধ আমি সারা গায়ে মেখে রাখি। তোর কোন চাওয়া রাখতে চাইনা বাকি। তোর পথের পানে চেয়ে আমি সময় গুনে থাকি। তোর হাসিতে আমি খুশি থাকি, চাঁদের আলোয় খোকা তুই বেড়েছিস ওরে সব

পুরোটা পড়ুন

‌‌১৮ বছর
সুচন্দ্রা নন্দী

আঠারাে বছর পার করলেই ব্যাস, মুঠোয় ওদের পৃথিবী সর্বেসর্বা ওরা তাই নিয়ম ভাঙা অভ্যাস যখন, নিয়ন ছুটি নিয়েছে তখন অসম্ভব বলে কিছুই নাই , ওদের DICTIONARY – তে মডার্ন ও তখন ভয় পায়, ওদের কর্মকাণ্ডতে। ব্যাস্ত তখন দৌড়াতে ওরা নতুনের আশায়, যা পায় অসন্তুষ্টি হাতছানি দেয় মনের কোণায়। মজাদার এই

পুরোটা পড়ুন

নিশ্চিত ভালোবাসার বুক
সালেহা খাতুন

আমি যদি নকশিকাঁথা হই, বুননীর কারিগর সে দক্ষতায়। জলহীন ছায়াহীন যদি মরুভূমি হই, জলসিঞ্চনের ধারায় সরোবর ভরে দেয়। বুনোঘাসে ফুল ফোটায় যে স্নিগ্ধ শান্ত কানন, প্রাণের হিল্লোল জাগাতে ঠান্ডা বুক পেতে দেয়, অক্সিজেনের রূপকার সে, হৃদয় জুড়ায় অবলীলায়। যখন পুষে রাখি মনে মেঘমেঘ ভাব, বসন্তের দক্ষিণা বাতাস জানে, এ আমার

পুরোটা পড়ুন

বৃষ্টি বৃষ্টি
সালেহা খাতুন

আকাশে সজল মেঘের স্তর দূরে মাঠ ভরে সবুজের বিস্তার। এখনি সময় শস্যশিশুর জাগা বায়ুর সাথে নৃত্য ঘাসের আগা। সুদূর বিলাসী বকের যাত্রা থামা কৃষ্ণকালো মেঘ্গর্জনে বৃষ্টি নামা। বেল কামিনীর গন্ধে বাতাস মাতাল নিরালায় সিক্ত পাখির অলস সকাল। আকাশ জুড়ে বৃষ্টি খরধারা বৃষ্টির ধারায় প্রকৃতি আত্মহারা। সবুজে সবুজ পাট ধানচারা পুলকিত

পুরোটা পড়ুন

মামা
সালেহা খাতুন

মামা আমার বদমেজাজি একটুখানি এড়া, কারুর কথায়,কান দেয়না নিজের কথা ছাড়া। রকম – সকম কেমন যেন, ব্যস্ত সদাই দেখায়। ফোনে এমন কথা বলে যেন মন্ত্রী চলেন মামার কথায়। তার উপর আছে আবার মামার একরাশ পায়রা। মসুরির ডাল, গম,ধান সব পায়রার খাবার এদের ছেড়ে উপায় নেই, কোনো কাজে যাবার। মাংস ছাড়া

পুরোটা পড়ুন

সূচনা
সালেহা খাতুন

বিজ্ঞানের কতশত উপহার, মানুষ তার রূপ করেছে কদাকার। পাহাড় খুঁড়ে সুড়ঙ্গ গড়ছে, পৃথিবীর পেরেক তাইতো নড়ছে। খাবারে বিষ,রং,কেমিক্যাল ভরছে, বিমারি তাই মারণকামড় দিচ্ছে। পশুপাখি মানুষ ধুঁকছে। কঠিন রোগে সব ভুগছে। পুকুর ভর্তি যত আবর্জনা, ধরিত্রীর হয়েছে মৃত্যুর সূচনা। সর্বত্র রয়েছে প্লাস্টিকের স্তূপ, পৃথিবীর চেহারা এখন অদ্ভুত। সূর্য ফেটে পড়ছে রুদ্ররোষে,

পুরোটা পড়ুন

বৈশাখীর কাল
সালেহা খাতুন

আমি যদি চাই তুফান ঘটে যায়। আমার একটু খানি ইশারায় মাঠের শস্য,গাছের ফল ঝরে যায়। বিরাট গাছের মুন্ডু ছিঁড়ে যায়। আমার এক ঝটকায় ঘরের চাল থাকে না ঘরে নারিকেল পাতা তালপাতা ছড়াছড়ি করে। আমার কত ক্ষমতা ধারণা করতে পারো? আমি চাইলে ধনী, গরিব সকলকে একসাথে একই জায়গায় করতে পারি জড়ো।

পুরোটা পড়ুন

তুমি আমার বন্ধু হবে
সালেহা খাতুন

তুমি আমার বন্ধু হবে? উত্তরে সে বলে,বন্ধু? যদি প্রেমিক হতে চাই? প্রেমিক শব্দটা কেমন ভারী তোলাপেড়ে শাড়ির মতো। সাজিয়ে গুছিয়ে রাখা, একঘেয়ে মন যুগিয়ে চলা, কথা দেওয়া কথা রাখা। বন্ধু হলো,তৃণলতা জড়ানো যত ইচ্ছে, পা ছড়িয়ে বসা  সবুজ ঘাসে এলোমেলো গল্পের দাবি রাখে। আলোর ছিটে গাছের ফাঁকে লুকোচুরি খেলে পাশে

পুরোটা পড়ুন

রুজি রুটি
সালেহা খাতুন

ছি ছি ছি একি শুনি আপন জনের প্রাণটি গেল, ভেদাভেদ কে শেখালো। যে দেশে পেটে খিদে নিত্য জ্বলে আগুন পোড়া ভাঙা ঘরে। ভাতের খোঁজে, কে বা কারা বুলেট চড়ে! ওরে ও পাগলা রাজা ভেবে দেখ মগজ খুলে, বিভেদ ভুলে। একই রক্ত, একই প্রাণ গানটি তোরা যাসনে ভুলে। জেনে রাখ, কিষাণ

পুরোটা পড়ুন

স্বরচিত সুখ
সালেহা খাতুন

দীর্ঘজীবন শত সহস্র ধুলার কনা, ছেলেবেলা সুখ যা, সেইসব ঘটনা। কিছু থেকে যায় মনের গভীরে গেঁথে, মিটে যায় কিছু জল তরঙ্গে সাথে। হাটু জলে শালুক ফুল তুলে নেওয়া কিংবা লজ্জাবতী লতা নাড়িয়ে দেওয়া। পাথরকুচি পাতায় তীব্র প্রচেষ্টায়, শিকড় গজানোর অপেক্ষায়। সযত্নে বইয়ের ভাঁজে রাখা, বিশ্বাসে বারবার খুলে দেখা। রোদঘামে খেলাছেড়ে

পুরোটা পড়ুন