Home Page

চেতনা
সালেহা খাতুন

ওরা বলে কাজ চাই ভিক্ষে নয়। জীবিকার খোঁজ নাই, বিশ্রাম হোক তাই? হুমড়ি খেয়ে গোটা দেশ, উপহারটা ভালো বেশ। নরম কণ্ঠ নরম কথা, কানে তোলা – ই বড়ো কথা। ব্রিজের নীচ, রেললাইনের পাশ কতক বা নর্দমার ধারে বাস। একটুকরো ন্যাকড়া শিশুর বিছানা, ভালো খাবার কি জানো না। শুকনো ভাত চেনে,

পুরোটা পড়ুন

বাংলা
প্রণব কুমার সরকার

শুনলাম বাংলা তোর নাকি পিঠ ঠেকে গেছে ? বঙ্গে নাকি আর কহে না কেউ তোর বুলি ? আশ্চর্যান্বিত আমি, কেন রে তবে এ বিদেশ বিভূঁইয়ে বসে, আজও স্মৃতির মনিকোঠায় আমার, তোর সেই ঠাকুমার ঝুলি.   তুই তো সেই গৌরবান্বিত ভাষা, যার জন্ম এখনো বিস্ময়, কেউ বলে তুই ইন্দো ইউরোপিয়ান বুলি,

পুরোটা পড়ুন

পুরুষালি অহংকার
সালেহা খাতুন

মাঝেমাঝে ছাড় দিতে হয়,ছেড়ে দিতে হয়। তোমার উল্টোদিকের মানুষটি কি একেবারেই অধম, জ্ঞানহীন,বোধহীন নিকৃষ্ট অবলাপ্রাণী? আসলে অবলার স্ববল মনে, নরম একটা কোণ আছে জেনে, অনন্তকালের পুরুষালি অহংকারে পাশাখেলার জটিল অঙ্ক কষো। সবখানে দবিয়ে রাখো, সন্তুষ্টি না হলে চারিপাশে গণ্ডিকাটো। এগিয়ে দিতে জিতিয়ে দিতে,সে ভালোবাসে। না কি তাও মানো নাকো? ঠিক

পুরোটা পড়ুন

সৈনিক পিঁপড়ে
সালেহা খাতুন

সৈন্যরা সামনে পিছনে অতন্দ্র পাহারায় বিরাট আকার ঘাঁটি গড়েছে নিরালায়। ঘাঁটির ভিতর বহু সৈনিক অবিরত ব্যস্ত ধারালো চোয়াল তীক্ষ্ম হুল নিয়ে সসস্ত্র কিছুদল করছে খাবার আয়োজন। কিছুদল করছে শিশুদের রক্ষণা বেক্ষণ। হঠাৎ শুরু হলে গেল অতর্কিত আক্রমণ, কীটনাশক বিষের গুলি বর্ষন মাটিতে জড়ো হল শতশত সৈনিক প্রকৃতির পিঁপড়ে পতঙ্গ শেষ

পুরোটা পড়ুন

স্নেহের চাওয়া
সালেহা খাতুন

তোর চোখেতে আমার ছবি দেখি, হাত বাড়িয়ে তোকেই ছুঁয়ে থাকি । ভোরের স্বপ্নে তোকে দেখে থাকি, তোর গায়ের গন্ধ আমি সারা গায়ে মেখে রাখি। তোর কোন চাওয়া রাখতে চাইনা বাকি। তোর পথের পানে চেয়ে আমি সময় গুনে থাকি। তোর হাসিতে আমি খুশি থাকি, চাঁদের আলোয় খোকা তুই বেড়েছিস ওরে সব

পুরোটা পড়ুন

‌‌১৮ বছর
সুচন্দ্রা নন্দী

আঠারাে বছর পার করলেই ব্যাস, মুঠোয় ওদের পৃথিবী সর্বেসর্বা ওরা তাই নিয়ম ভাঙা অভ্যাস যখন, নিয়ন ছুটি নিয়েছে তখন অসম্ভব বলে কিছুই নাই , ওদের DICTIONARY – তে মডার্ন ও তখন ভয় পায়, ওদের কর্মকাণ্ডতে। ব্যাস্ত তখন দৌড়াতে ওরা নতুনের আশায়, যা পায় অসন্তুষ্টি হাতছানি দেয় মনের কোণায়। মজাদার এই

পুরোটা পড়ুন

নিশ্চিত ভালোবাসার বুক
সালেহা খাতুন

আমি যদি নকশিকাঁথা হই, বুননীর কারিগর সে দক্ষতায়। জলহীন ছায়াহীন যদি মরুভূমি হই, জলসিঞ্চনের ধারায় সরোবর ভরে দেয়। বুনোঘাসে ফুল ফোটায় যে স্নিগ্ধ শান্ত কানন, প্রাণের হিল্লোল জাগাতে ঠান্ডা বুক পেতে দেয়, অক্সিজেনের রূপকার সে, হৃদয় জুড়ায় অবলীলায়। যখন পুষে রাখি মনে মেঘমেঘ ভাব, বসন্তের দক্ষিণা বাতাস জানে, এ আমার

পুরোটা পড়ুন

বৃষ্টি বৃষ্টি
সালেহা খাতুন

আকাশে সজল মেঘের স্তর দূরে মাঠ ভরে সবুজের বিস্তার। এখনি সময় শস্যশিশুর জাগা বায়ুর সাথে নৃত্য ঘাসের আগা। সুদূর বিলাসী বকের যাত্রা থামা কৃষ্ণকালো মেঘ্গর্জনে বৃষ্টি নামা। বেল কামিনীর গন্ধে বাতাস মাতাল নিরালায় সিক্ত পাখির অলস সকাল। আকাশ জুড়ে বৃষ্টি খরধারা বৃষ্টির ধারায় প্রকৃতি আত্মহারা। সবুজে সবুজ পাট ধানচারা পুলকিত

পুরোটা পড়ুন

মামা
সালেহা খাতুন

মামা আমার বদমেজাজি একটুখানি এড়া, কারুর কথায়,কান দেয়না নিজের কথা ছাড়া। রকম – সকম কেমন যেন, ব্যস্ত সদাই দেখায়। ফোনে এমন কথা বলে যেন মন্ত্রী চলেন মামার কথায়। তার উপর আছে আবার মামার একরাশ পায়রা। মসুরির ডাল, গম,ধান সব পায়রার খাবার এদের ছেড়ে উপায় নেই, কোনো কাজে যাবার। মাংস ছাড়া

পুরোটা পড়ুন

সূচনা
সালেহা খাতুন

বিজ্ঞানের কতশত উপহার, মানুষ তার রূপ করেছে কদাকার। পাহাড় খুঁড়ে সুড়ঙ্গ গড়ছে, পৃথিবীর পেরেক তাইতো নড়ছে। খাবারে বিষ,রং,কেমিক্যাল ভরছে, বিমারি তাই মারণকামড় দিচ্ছে। পশুপাখি মানুষ ধুঁকছে। কঠিন রোগে সব ভুগছে। পুকুর ভর্তি যত আবর্জনা, ধরিত্রীর হয়েছে মৃত্যুর সূচনা। সর্বত্র রয়েছে প্লাস্টিকের স্তূপ, পৃথিবীর চেহারা এখন অদ্ভুত। সূর্য ফেটে পড়ছে রুদ্ররোষে,

পুরোটা পড়ুন