Home Page

স্বাধীন হওয়ার ইচ্ছে
সালেহা খাতুন

একবার আমার মনে হয়েছিল মা আমাকে কম ভালোবাসে অন্যদের তুলনায়। পরে বুঝেছি হাতের পাঁচটা আঙ্গুলে সুচ বিধলে সমান ব্যথা পায়। আমার একবার  স্বাধীন হওয়ার ইচ্ছে হয় দেখি তাতে কারো সম্মতি নাই। জ্ঞানের পাঠ দেয়,বাস্তব শেখায় ছোট থেকে বড় হওয়ার গল্প শোনায়। পরে বুঝেছি বাস্তবের সমাধান সবার কাছে এক নয়। কেউ

পুরোটা পড়ুন

আনমনে
সালেহা খাতুন

দুঃখের সবকটা নদী মুছে গেলে ভালো বেশ, জোছনায় খেলা করি ভেসে আসে সাদা মেঘ। আনমনে ফিরে দেখি কোথায় সে উড়ো মেঘ? তারা – রা ভিড় করে থাকে ওরা চাঁদের দেশ। জোছনা ফিরে গেল শেষমেশ, রাতের শেষ, হারালো ছায়া ফুরালো রাতের মায়া রবি করে ঝলমলে সাজ তাই প্রভাতের ফুরফুরে মেজাজ।।

পুরোটা পড়ুন

ক্ষুদ্র ভাইরাস
সালেহা খাতুন

মানব জগত যখন এক অদৃশ্য জাদুর টানে, উন্মুক্ত আকাশে ডানা মেলে উড়তে শুরু করেছে। কানে হেডফোন লাগিয়ে, গানের মূর্ছনায় বিভোর। বায়না ধরে, এমন বয়সী ছোটরা যখন প্রতিযোগিতায় সামিল। এ ঘর ও ঘর যখন কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ চলছে নিঃশব্দে, বৃদ্ধ পিতা-মাতা যখন গাছ তলায় আশ্রয় নিয়েছে। ঠিক সেই মুহূর্তে, উত্তরের ঝঞ্ঝার আগমন।

পুরোটা পড়ুন

চেতনা
সালেহা খাতুন

ওরা বলে কাজ চাই ভিক্ষে নয়। জীবিকার খোঁজ নাই, বিশ্রাম হোক তাই? হুমড়ি খেয়ে গোটা দেশ, উপহারটা ভালো বেশ। নরম কণ্ঠ নরম কথা, কানে তোলা – ই বড়ো কথা। ব্রিজের নীচ, রেললাইনের পাশ কতক বা নর্দমার ধারে বাস। একটুকরো ন্যাকড়া শিশুর বিছানা, ভালো খাবার কি জানো না। শুকনো ভাত চেনে,

পুরোটা পড়ুন

বাংলা
প্রণব কুমার সরকার

শুনলাম বাংলা তোর নাকি পিঠ ঠেকে গেছে ? বঙ্গে নাকি আর কহে না কেউ তোর বুলি ? আশ্চর্যান্বিত আমি, কেন রে তবে এ বিদেশ বিভূঁইয়ে বসে, আজও স্মৃতির মনিকোঠায় আমার, তোর সেই ঠাকুমার ঝুলি.   তুই তো সেই গৌরবান্বিত ভাষা, যার জন্ম এখনো বিস্ময়, কেউ বলে তুই ইন্দো ইউরোপিয়ান বুলি,

পুরোটা পড়ুন

পুরুষালি অহংকার
সালেহা খাতুন

মাঝেমাঝে ছাড় দিতে হয়,ছেড়ে দিতে হয়। তোমার উল্টোদিকের মানুষটি কি একেবারেই অধম, জ্ঞানহীন,বোধহীন নিকৃষ্ট অবলাপ্রাণী? আসলে অবলার স্ববল মনে, নরম একটা কোণ আছে জেনে, অনন্তকালের পুরুষালি অহংকারে পাশাখেলার জটিল অঙ্ক কষো। সবখানে দবিয়ে রাখো, সন্তুষ্টি না হলে চারিপাশে গণ্ডিকাটো। এগিয়ে দিতে জিতিয়ে দিতে,সে ভালোবাসে। না কি তাও মানো নাকো? ঠিক

পুরোটা পড়ুন

সৈনিক পিঁপড়ে
সালেহা খাতুন

সৈন্যরা সামনে পিছনে অতন্দ্র পাহারায় বিরাট আকার ঘাঁটি গড়েছে নিরালায়। ঘাঁটির ভিতর বহু সৈনিক অবিরত ব্যস্ত ধারালো চোয়াল তীক্ষ্ম হুল নিয়ে সসস্ত্র কিছুদল করছে খাবার আয়োজন। কিছুদল করছে শিশুদের রক্ষণা বেক্ষণ। হঠাৎ শুরু হলে গেল অতর্কিত আক্রমণ, কীটনাশক বিষের গুলি বর্ষন মাটিতে জড়ো হল শতশত সৈনিক প্রকৃতির পিঁপড়ে পতঙ্গ শেষ

পুরোটা পড়ুন

স্নেহের চাওয়া
সালেহা খাতুন

তোর চোখেতে আমার ছবি দেখি, হাত বাড়িয়ে তোকেই ছুঁয়ে থাকি । ভোরের স্বপ্নে তোকে দেখে থাকি, তোর গায়ের গন্ধ আমি সারা গায়ে মেখে রাখি। তোর কোন চাওয়া রাখতে চাইনা বাকি। তোর পথের পানে চেয়ে আমি সময় গুনে থাকি। তোর হাসিতে আমি খুশি থাকি, চাঁদের আলোয় খোকা তুই বেড়েছিস ওরে সব

পুরোটা পড়ুন

‌‌১৮ বছর
সুচন্দ্রা নন্দী

আঠারাে বছর পার করলেই ব্যাস, মুঠোয় ওদের পৃথিবী সর্বেসর্বা ওরা তাই নিয়ম ভাঙা অভ্যাস যখন, নিয়ন ছুটি নিয়েছে তখন অসম্ভব বলে কিছুই নাই , ওদের DICTIONARY – তে মডার্ন ও তখন ভয় পায়, ওদের কর্মকাণ্ডতে। ব্যাস্ত তখন দৌড়াতে ওরা নতুনের আশায়, যা পায় অসন্তুষ্টি হাতছানি দেয় মনের কোণায়। মজাদার এই

পুরোটা পড়ুন

নিশ্চিত ভালোবাসার বুক
সালেহা খাতুন

আমি যদি নকশিকাঁথা হই, বুননীর কারিগর সে দক্ষতায়। জলহীন ছায়াহীন যদি মরুভূমি হই, জলসিঞ্চনের ধারায় সরোবর ভরে দেয়। বুনোঘাসে ফুল ফোটায় যে স্নিগ্ধ শান্ত কানন, প্রাণের হিল্লোল জাগাতে ঠান্ডা বুক পেতে দেয়, অক্সিজেনের রূপকার সে, হৃদয় জুড়ায় অবলীলায়। যখন পুষে রাখি মনে মেঘমেঘ ভাব, বসন্তের দক্ষিণা বাতাস জানে, এ আমার

পুরোটা পড়ুন